প্রকাশিত : শুক্রবার , ১০ জুলাই ২০২৬ , রাত ১২:১২।। প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার , ১০ জুলাই ২০২৬ , রাত ১২:৫২

ভূমিদস্যু আখ্যা দিয়ে হেলাল মিয়ার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন, পাল্টা অভিযোগও তার


স্টাফ রিপোর্টার : ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌরসভার নিউ মার্কেট এলাকায় আর্থিক লেনদেনে গাফিলতি, পাওনা টাকা পরিশোধ না করা এবং মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগ এনে আহসানুল কবীর হেলাল মিয়ার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী। বৃহস্পতিবার দুপুরে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে হাবিব বস্ত্রালয়ের মালিক মাসুদ, মামুন শেখসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মাসুদ দাবি করেন, প্রায় তিন বছর আগে তার বাবা হেলাল মিয়ার কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকার ইট অগ্রিম ক্রয় করেছিলেন। পরবর্তীতে তার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লে অগ্রিম দেওয়া অর্থ ফেরত চাইলে হেলাল মিয়া নগদ ৫ লাখ টাকা এবং ৯ লাখ ৯১ হাজার টাকার ইট সরবরাহ করেন। তবে এখনও ১৫ লাখ ৮ হাজার ৪০০ টাকা পাওনা রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, পাওনা টাকা আদায়ের জন্য একাধিকবার থানায় বৈঠক হলেও হেলাল মিয়া প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা পরিশোধ করেননি। সর্বশেষ গত ৪ জুলাই বিকেলে টাকা পরিশোধের বিষয়ে জানতে চাইলে হেলাল মিয়ার গাড়ি থামানো হয়। তবে তাকে মারধর বা গালাগাল করা হয়নি। পাওনা টাকা পরিশোধ এড়াতে তিনি তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে নাটক সাজিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন মাসুদ।

মামুন শেখ বলেন, আমার বাবার সঙ্গে হেলাল মিয়ার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। ৩০ লাখ টাকার ইট ক্রয় করা হলেও কিছু টাকা ও ইট দেওয়ার পরও প্রায় ১৫ লাখ ৮ হাজার ৪০০ টাকা এখনও বকেয়া রয়েছে। গত ৪ জুলাই নিউ মার্কেট এলাকায় তাকে দেখে টাকা পরিশোধের বিষয়ে জানতে চাইলে গাড়ি থেকে নামিয়ে আমাদের দোকানে আনা হয়। পরে তার স্ত্রী পুলিশ নিয়ে এসে তাকে নিয়ে যান।

তিনি অভিযোগ করেন, হেলাল মিয়া পাওনা টাকা পরিশোধ না করে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন এবং সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের সম্মানহানির চেষ্টা করেছেন। এছাড়া হেলাল মিয়া লোকজন নিয়ে তাদের দোকানে হামলা চালিয়ে ৭ লাখ টাকা নিয়ে গেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় তারা পাওনা টাকা আদায় ও সম্মানহানির বিচার দাবি করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আহসানুল কবীর হেলাল মিয়া বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ফরিদপুর যাওয়ার পথে আমাকে আটকিয়ে মারধর করা হয় এবং আমার কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে থানা পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে। তাদের কোনো পাওনা টাকা আমার কাছে নেই।