প্রকাশিত : বৃহঃস্পতিবার , ৯ জুলাই ২০২৬ , ভোর ০৫:০১।। প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার , ১০ জুলাই ২০২৬ , রাত ১২:৫৩

এভাবেও ফিরে আসা যায়—আর এমন অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন দেখাতে পারে একমাত্র মেসির আর্জেন্টিনা!


ম্যাচের শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম ২০ মিনিটেই মিশর (ইজিপ্ট) এগিয়ে) যায় ১-০ ব্যবধানে। এরপর প্রথমার্ধের শেষদিকে আরও একটি গোল করে তারা। ৭৮ মিনিট পর্যন্ত আর্জেন্টিনা গোলশূন্য, চারদিকে যেন হতাশা আর নিরাশার ছায়া। কিন্তু এরপরই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র।

৭৯তম মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে হেড করে ব্যবধান কমান ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। সেই গোল যেন পুরো দলের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনে। মাত্র চার মিনিট পর, ৮৩তম মিনিটে দুর্দান্ত এক আক্রমণ থেকে নিজেই সমতাসূচক গোল করেন লিওনেল মেসি। এরপর ৮৭তম মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজ জয়সূচক তৃতীয় গোলটি করে আর্জেন্টিনাকে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে দেন।

মেসির পেনাল্টি মিসের পর অনেকেই হতাশ হয়ে পড়েছিলেন সাথে আমিও। ম্যাচের শুরুতে তাঁর পাসিংও স্বাভাবিক ছন্দে ছিল না। কিন্তু বড় খেলোয়াড়দের বিশেষত্বই হলো, তারা পরিস্থিতি বুঝে নিজেদের বদলে নিতে পারেন। মেসিও সেটিই করেছেন। ধীরে ধীরে খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন।

মিশর দুর্দান্ত খেলেছে এবং দুই গোল করে আত্মবিশ্বাসও পেয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত মেসির নেতৃত্ব, অভিজ্ঞতা ও মানসিক দৃঢ়তার সামনে সেই আত্মবিশ্বাস টিকতে পারেনি।

মেসির সঙ্গে তুলনা চলে খুব কম খেলোয়াড়েরই। তিনি শুধু একজন অসাধারণ ফুটবলার নন, কঠিন মুহূর্তে দলকে পথ দেখানোর মতো একজন প্রকৃত নেতা।

আর যারা প্রতিটি সাফল্যের পরই বলে বসেন, আম্পায়ারকে কিনে নিয়েছে। তাদের মনে রাখা উচিত, এমন দাবি করার জন্য বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ দরকার। একটি দলের জয়কে শুধুই ষড়যন্ত্র দিয়ে ব্যাখ্যা করা খেলাটির প্রতি ন্যায্য মূল্যায়ন শুধু নয় হীনমন্যতাও বটে।