• ঢাকা
  • শুক্রবার , ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ভোর ০৫:০১
ব্রেকিং নিউজ
হোম / সারাদেশ

কাউনিয়ায় ঝুঁকি নিয়ে নড়বড়ে কাঁঠের সেতু দিয়ে ১০ গ্রামের মানুষের চলাচল

রিপোর্টার : জহির রায়হান
কাউনিয়ায় ঝুঁকি নিয়ে নড়বড়ে কাঁঠের সেতু দিয়ে ১০ গ্রামের মানুষের চলাচল প্রিন্ট ভিউ

জহির রায়হান কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি: কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের মৌলভী বাজার সংলগ্ন জরাজীর্ণ ব্রিজটি এখন স্থানীয় হাজারো মানুষের জন্য  মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ব্রিজটির একটি অংশ একপাশে মারাত্মকভাবে হেলে পড়েছে। এছাড়া পাকা সেতুর দুই পাশের সংযোগস্থল ধসে যাওয়ায় সেখানে অস্থায়ীভাবে কাঠের পাঠাতন বসিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নড়বড়ে এই কাঠের সাঁকোর ওপর দিয়েই প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো সময় পুরোনো হেলে পড়া ব্রিজটি ধসে পড়ে ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৌলভী বাজার এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এই হেলে পড়া ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন ১০ গ্রামের  হাজার হাজার মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান ও ঘোড়ার গাড়ি চলাচল করে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহনের অন্যতম প্রধান পথ হওয়ায় বাধ্য হয়েই আতঙ্ক নিয়ে প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ ব্যবহার করছেন এলাকাবাসী।

বর্তমানে ব্রিজটির একপাশ দেবে গিয়ে পুরো কাঠামো ভারসাম্যহীন অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজটির এমন বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। কৃষকরা নিরাপদে তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে পারছেন না, ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। রাতের বেলায় ব্রিজটি দিয়ে চলাচল আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নতুন একটি সেতু নির্মাণের জন্য জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত হেলে পড়া এই ব্রিজটি অপসারণ করে নতুন ও টেকসই সেতু নির্মাণ না করা হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় ঘটতে পারে।

এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নতুন ব্রিজ নির্মাণে কাউনিয়া উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বালাপাড়া ইউনিয়নের মৌলভী বাজার এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।

উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম  বলেন  মৌলভীবাজার এলাকায় নতুন একটি ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাবনা পাঠানোর পর পাশ হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়ার পর নকশা প্রস্তুত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে টেন্ডার আহ্বান করা হবে।

জাতীয়

সারাদেশ

আরও পড়ুন